সুনামগঞ্জের প্রান্তিক উপজেলা দিরাইয়ে ৬৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ২৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গজারিয়া আব্দুর রুপ জুনিয়র বিদ্যালয়ে কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের আকিল শাহ, রাধানগর ও উত্তর সুরিয়ারপুর গ্রামের নারীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সহায়তা প্রদান করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সকাল থেকেই ফ্যামিলি কার্ডের আর্থিক সহায়তা নিতে আসা নারীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিড় করেন। সারি সারি চেয়ারে বসে থাকা উপকারভোগী নারীদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ছাপ এবং চোখে ছিল বুকভরা আশা। অনেক নারী তাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথেও এসেছিলেন। তাদের সকলের কন্ঠে ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং তার প্রতি অগাধ ভালোবাসা।
রীতা বেগম নামের একজন উপকারভোগী বলেন, নির্বাচনে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যা আজ বাস্তবে রূপ পেয়েছে। তিনি বলেন, হাতে ২৫০০ টাকা পেয়ে মন ভরে গেছে এবং ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে যাবে। পাশেই বসা আকিল শাহ গ্রামের মিনারা জানান, জীবনেও ভাবেননি যে এমন আর্থিক সহায়তা পাবেন। এই টাকা পেয়ে তিনি নতুন জীবনের সন্ধান পেয়েছেন এবং তার টানাটানির সংসারে এই সহায়তা পেয়ে তিনি মহা খুশি।
দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এভাবে সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পেলে অনেক পরিবারের দুঃখ ঘুচে যাবে এবং দুবেলা খাবারের চিন্তা থাকবে না। এভাবেই সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ফ্যামিলি কার্ডের আর্থিক সহায়তা নিতে আসা নারীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। বিশিষ্ট গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দিরাইয়ের বাসিন্দা রুদ্র মিজান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি মূল প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। সরকার গঠনের ২১ দিনের মাথায় এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় মানুষ বুঝতে পারছে যে তারেক রহমান কথা দিয়ে কথা রাখেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা পৌঁছে যাবে, যা নারীর ক্ষমতায়ন ঘটাবে এবং পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলবে।
রিপোর্টারের নাম 

























