মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহে কাস্টমস সিপাহী আবু রায়হান হত্যা: শোকের ছায়ায় গ্রাম, তদন্তে পুলিশ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় নিখোঁজের ১০ দিন পর উদ্ধার হওয়া কাস্টমস সিপাহী আবু রায়হান তালুকদারের মরদেহ শেষ পর্যন্ত পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোমবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে ছেলের শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মা রাহেলা খাতুন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে তারা কাজ করছে। ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত পাঞ্জাবি ও কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে, যা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবু রায়হানের বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু ও তার সহযোগী জিতুল ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকায় তাদের সন্দেহের তালিকায় শীর্ষে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তরা মাদক ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত এবং তারা কোনো অপরাধী চক্রের সদস্য হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ১০ দিন আগে নিখোঁজ হওয়ার পর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ট্রাভেল ব্যাগে বন্দি অবস্থায় আবু রায়হানের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: আহত ২, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

ময়মনসিংহে কাস্টমস সিপাহী আবু রায়হান হত্যা: শোকের ছায়ায় গ্রাম, তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় : ১১:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় নিখোঁজের ১০ দিন পর উদ্ধার হওয়া কাস্টমস সিপাহী আবু রায়হান তালুকদারের মরদেহ শেষ পর্যন্ত পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোমবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে ছেলের শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মা রাহেলা খাতুন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে তারা কাজ করছে। ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত পাঞ্জাবি ও কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে, যা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবু রায়হানের বাড়ির কেয়ারটেকার রাজু ও তার সহযোগী জিতুল ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকায় তাদের সন্দেহের তালিকায় শীর্ষে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তরা মাদক ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত এবং তারা কোনো অপরাধী চক্রের সদস্য হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ১০ দিন আগে নিখোঁজ হওয়ার পর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ট্রাভেল ব্যাগে বন্দি অবস্থায় আবু রায়হানের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।