মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

সীমান্ত অঞ্চলে রেল যোগাযোগ শক্তিশালী করতে ৪৫ হাজার কোটি রুপির প্রকল্প ভারতের

চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে রেল অবকাঠামো আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি রুপি বা ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ভারত সরকার। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ ও আসামসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে নতুন রেললাইন নির্মাণ এবং বিদ্যমান রেলপথের ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে। ভারতের রেল অবকাঠামো খাতে আগামী দুই বছরের মোট বিনিয়োগের প্রায় ২২ শতাংশই এই সীমান্ত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার সীমান্ত অঞ্চলের উন্নয়নকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক কৌশলের সমন্বয় ঘটিয়ে এই রেল নেটওয়ার্ক এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যা সাধারণ যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত স্থানান্তর করতে সক্ষম হবে। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সীমান্ত জেলাগুলোকে দেশের মূল অর্থনৈতিক কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও গতি সঞ্চারের আশা করা হচ্ছে। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: আহত ২, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

সীমান্ত অঞ্চলে রেল যোগাযোগ শক্তিশালী করতে ৪৫ হাজার কোটি রুপির প্রকল্প ভারতের

আপডেট সময় : ১১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে রেল অবকাঠামো আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি রুপি বা ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ভারত সরকার। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ ও আসামসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে নতুন রেললাইন নির্মাণ এবং বিদ্যমান রেলপথের ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে। ভারতের রেল অবকাঠামো খাতে আগামী দুই বছরের মোট বিনিয়োগের প্রায় ২২ শতাংশই এই সীমান্ত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার সীমান্ত অঞ্চলের উন্নয়নকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক কৌশলের সমন্বয় ঘটিয়ে এই রেল নেটওয়ার্ক এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যা সাধারণ যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত স্থানান্তর করতে সক্ষম হবে। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সীমান্ত জেলাগুলোকে দেশের মূল অর্থনৈতিক কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও গতি সঞ্চারের আশা করা হচ্ছে। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।