মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

গুম প্রতিরোধে কঠোর আইন: সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন

দেশে গুমের মতো অপরাধ প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে এই যুগান্তকারী আইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন এই আইনে গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য এবং আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আইনের মূল লক্ষ্য হলো মানবাধিকার রক্ষা এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের অধিকার ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। এতে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার এবং ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আইনের খসড়া অনুযায়ী, গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। যদি গুমের ফলে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটে বা দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তবে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ভুক্তভোগীদের সরকারিভাবে আইনি সহায়তা, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধানও এতে যুক্ত করা হয়েছে। এটি বর্তমান সরকারের মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতির একটি বড় প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতে সহযোগিতায় আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

গুম প্রতিরোধে কঠোর আইন: সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশে গুমের মতো অপরাধ প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে এই যুগান্তকারী আইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন এই আইনে গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য এবং আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আইনের মূল লক্ষ্য হলো মানবাধিকার রক্ষা এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের অধিকার ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। এতে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার এবং ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আইনের খসড়া অনুযায়ী, গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। যদি গুমের ফলে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটে বা দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তবে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ভুক্তভোগীদের সরকারিভাবে আইনি সহায়তা, চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধানও এতে যুক্ত করা হয়েছে। এটি বর্তমান সরকারের মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতির একটি বড় প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।