আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা তৃতীয় জয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। শারজাহতে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে জাকের আলীর দল ৬ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে। পুরো সিরিজ জুড়েই বাংলাদেশ তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছিল।
সাইফ হাসানের বিস্ফোরক ব্যাটিং
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল সাবধানী। তবে মিডল অর্ডারে সাইফ হাসান তার ইনিংসের শেষটা করেন রীতিমতো বিস্ফোরক। তিনি খেলেন ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, যার মধ্যে ছিল ৭টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা। মূলত, শেষদিকে তার একার ঝড়েই ম্যাচের গতি বাংলাদেশের দিকে ঘুরে যায়।
টাইগাররা শুরুতেই আফগান বোলারদের কিছুটা চাপের মুখে পড়ে। ওপেনার পারভেজ ইমন ১৬ বলে ১৪ রানে আউট হন। এরপর সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান একটি কার্যকর ৫৫ রানের জুটি গড়েন। তানজিদ হাসান ৩৩ রান করে আহমেদজাইয়ের শিকার হন। জাকের আলীর (১০ রান) এবং শামীম পাটোয়ারীর দ্রুত আউটে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফিরলেও, ক্রিজে জমে থাকা সাইফ হাসান আর কোনো সুযোগ দেননি।
আফগানদের ব্যাটিং বিপর্যয়
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের শুরুটা নড়বড়ে ছিল। শরিফুল ইসলাম শুরুতেই জাদরানকে ফেরান এবং নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে গুরবাজ শামীম হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। পাওয়ারপ্লে শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে আফগান শিবির চাপে পড়ে যায়।
সেদিকুল্লাহ অটলের প্রতিরোধের পর ড্রিঙ্কস ব্রেকের পর আফগানদের বিপর্যয় আরও স্পষ্ট হয়। বাংলাদেশের টাইট বোলিং এবং ডট বলের চাপে তারা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। একপর্যায়ে মাত্র ৯৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান।
শেষদিকে দারউইস রাসুলি (২৯ বলে ৩২) এবং মুজিব উর রহমানের (১৮ বলে অপরাজিত ২৩) ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে তারা কোনোমতে স্কোরবোর্ডে ১৩২ রান জমা করতে পারে। এই দুই ব্যাটারের ৪৫ রানের ছোট পার্টনারশিপ কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
রিপোর্টারের নাম 






















