শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের হাড়িখালী তিন রাস্তার মোড়ে একদল অস্ত্রধারী হায়াত উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
বাগেরহাটে বিএনপি নেতা এ এস এম হায়াত উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি; কেউ গ্রেপ্তারও নেই।
এ ছাড়া শনিবার এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী তিন রাস্তার মোড়ে একটি চায়ের দোকানে একদল অস্ত্রধারী বিএনপি নেতা ও সাংবাদিক হায়াত উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
তিনি বাগেরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ছিলেন।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) শামীম হোসেন বলেন, “হায়াত উদ্দিনের মরদেহের ময়নাতদন্ত শনিবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে অভিযানে রয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।”
এদিকে এ ঘটনার বিচার দাবিতে দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা-উপজেলার সাংবাদিকরা অংশ নেন এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা সংহতি প্রকাশ করেন।
এ সময় বক্তব্য দেন বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক তরফদার রবিউল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ জাকির হোসেন, ফরিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম।
রিপোর্টারের নাম 



















