ভোলার তজুমদ্দিনের মো. ভেলা ওমরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার অমিল রয়েছে। এদিকে, অভিযোগকারী মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে যে, ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন মৃত এক শিক্ষকের ইনডেক্স ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে বেতন তুলে আসছেন। মাদ্রাসার সুপার নুরুজ্জামান মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছে এ সংক্রান্ত অভিযোগও দায়ের করেছিলেন।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মহিউদ্দিন ২০১১ সালে ইনডেক্সধারী হিসেবে সরকারি বেতনভুক্ত হন। তৎকালীন সময়ে কারিগরি ত্রুটির কারণে মৃত শিক্ষকের হিসাব নম্বরের সঙ্গে বেতন যুক্ত হয়ে যাওয়ায় তিনি নিজেই জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে হিসাব সংশোধনের আবেদন করেছিলেন। রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপকও নিশ্চিত করেছেন যে, ওই শিক্ষক তার নিজের হিসাব নম্বর থেকেই বেতন উত্তোলন করেন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিযুক্ত সুপারের পলায়ন রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























