মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

দন্তচিকিৎসক সারাহ হত্যা: জুতার ছাপের সূত্র ধরে স্বামী রিমান্ডে

রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকায় দন্তচিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তার স্বামী সোহেল রানার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

গত ৩০ জুলাই দক্ষিণখানের নিজ বাসা থেকে চিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিল, দুর্বৃত্তরা গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে তাকে হত্যা ও লুটপাট চালিয়েছে। তবে তদন্তে বেরিয়ে আসে ভিন্ন তথ্য। সিআইডি সদস্যরা ঘটনাস্থলের জানালার ভেতরের অংশে একটি জুতার ছাপ শনাক্ত করেন, যা পরে সোহেল রানার জুতার সঙ্গে মিলে যায়। এর সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার দিন সোহেল রানা তার মেয়েকে স্কুলে দিয়ে অফিসে যাওয়ার কথা বলে পিনুকে বাসায় একা রেখে যান। পরবর্তীতে স্কুল থেকে ফিরে মেয়ে তার মায়ের নিথর দেহ খাটের ওপর বালিশ চাপা দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায়। এ ঘটনায় নিহতের বোন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করলেও তদন্তে স্বামীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতে সহযোগিতায় আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

দন্তচিকিৎসক সারাহ হত্যা: জুতার ছাপের সূত্র ধরে স্বামী রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকায় দন্তচিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তার স্বামী সোহেল রানার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

গত ৩০ জুলাই দক্ষিণখানের নিজ বাসা থেকে চিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিল, দুর্বৃত্তরা গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে তাকে হত্যা ও লুটপাট চালিয়েছে। তবে তদন্তে বেরিয়ে আসে ভিন্ন তথ্য। সিআইডি সদস্যরা ঘটনাস্থলের জানালার ভেতরের অংশে একটি জুতার ছাপ শনাক্ত করেন, যা পরে সোহেল রানার জুতার সঙ্গে মিলে যায়। এর সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার দিন সোহেল রানা তার মেয়েকে স্কুলে দিয়ে অফিসে যাওয়ার কথা বলে পিনুকে বাসায় একা রেখে যান। পরবর্তীতে স্কুল থেকে ফিরে মেয়ে তার মায়ের নিথর দেহ খাটের ওপর বালিশ চাপা দেওয়া অবস্থায় দেখতে পায়। এ ঘটনায় নিহতের বোন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করলেও তদন্তে স্বামীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।