মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ-কোরিয়া সিইপিএ: অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যাশা

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (সিইপিএ) দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক জোট গঠনের শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে দেখছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু-এর সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক অগ্রগতির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয়। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পথে থাকা বাংলাদেশের জন্য এই সিইপিএ চুক্তি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করবে।

অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বাংলাদেশের শিল্পভিত্তি ও বিশাল বাজারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তাবিত সিইপিএ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই দশকে দুই দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। এটি একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য আইনি কাঠামো তৈরি করবে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য সহায়ক হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের প্রতিনিধিরাই আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তির মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে কাস্টমস সিপাহী আবু রায়হান হত্যা: শোকের ছায়ায় গ্রাম, তদন্তে পুলিশ

বাংলাদেশ-কোরিয়া সিইপিএ: অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ১০:৫৩:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (সিইপিএ) দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক জোট গঠনের শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে দেখছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু-এর সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক অগ্রগতির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয়। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পথে থাকা বাংলাদেশের জন্য এই সিইপিএ চুক্তি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করবে।

অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বাংলাদেশের শিল্পভিত্তি ও বিশাল বাজারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তাবিত সিইপিএ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই দশকে দুই দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। এটি একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য আইনি কাঠামো তৈরি করবে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য সহায়ক হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের প্রতিনিধিরাই আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তির মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।