মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহে খাল খননে অনিয়ম: ভুয়া শ্রমিক দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় সরকারি অর্থায়নে খাল খনন প্রকল্পে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে শ্রমিকের পরিবর্তে এস্কেভেটর ব্যবহার এবং ভুয়া শ্রমিকের নাম দেখিয়ে বিপুল অংকের সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পে অনুমোদিত নকশা উপেক্ষা করে কাজ করা হয়েছে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সংরক্ষিত জিকে সেচ প্রকল্পের খাল খনন করা হয়েছে নিয়মবহির্ভূতভাবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খাল খননের নামে যে অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে, তার কোনো প্রতিফলন বাস্তবে নেই; উল্টো নিয়ম না মেনে কাজ করায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, সংরক্ষিত সেচ খাল খননের ক্ষেত্রে কোনো কারিগরি মতামত বা নকশা অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল, কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর তা করেনি। প্রকল্পের অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পিআইও আজিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় তিন মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৮০ নতুন রোগী

ঝিনাইদহে খাল খননে অনিয়ম: ভুয়া শ্রমিক দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:২২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় সরকারি অর্থায়নে খাল খনন প্রকল্পে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে শ্রমিকের পরিবর্তে এস্কেভেটর ব্যবহার এবং ভুয়া শ্রমিকের নাম দেখিয়ে বিপুল অংকের সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পে অনুমোদিত নকশা উপেক্ষা করে কাজ করা হয়েছে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সংরক্ষিত জিকে সেচ প্রকল্পের খাল খনন করা হয়েছে নিয়মবহির্ভূতভাবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খাল খননের নামে যে অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে, তার কোনো প্রতিফলন বাস্তবে নেই; উল্টো নিয়ম না মেনে কাজ করায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, সংরক্ষিত সেচ খাল খননের ক্ষেত্রে কোনো কারিগরি মতামত বা নকশা অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল, কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর তা করেনি। প্রকল্পের অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পিআইও আজিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি।