মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ইরান-কুয়েত কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন: অবিশ্বাসের গোলকধাঁধায় দুই দেশ

ঐতিহাসিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় ইরান ও কুয়েতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে গভীর অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। নব্বইয়ের দশকের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরান কুয়েতকে মানবিক সহায়তা দিলেও, বর্তমানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই কুয়েতকে নিয়ে সম্প্রতি কঠোর মন্তব্য করেছেন, যেখানে তিনি কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, কুয়েত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ড থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা চালানো হয়নি এবং তারা যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তি ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের জটিল সমীকরণ ও বড় শক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তারের লড়াই এই সম্পর্ককে আরও নাজুক করে তুলেছে। দুই দেশই এখন একে অপরের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে, যার ফলে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোও সংকুচিত হয়ে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে কাস্টমস সিপাহী আবু রায়হান হত্যা: শোকের ছায়ায় গ্রাম, তদন্তে পুলিশ

ইরান-কুয়েত কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন: অবিশ্বাসের গোলকধাঁধায় দুই দেশ

আপডেট সময় : ১০:৫২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ঐতিহাসিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় ইরান ও কুয়েতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে গভীর অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। নব্বইয়ের দশকের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরান কুয়েতকে মানবিক সহায়তা দিলেও, বর্তমানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই কুয়েতকে নিয়ে সম্প্রতি কঠোর মন্তব্য করেছেন, যেখানে তিনি কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, কুয়েত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ড থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক তৎপরতা চালানো হয়নি এবং তারা যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তি ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের জটিল সমীকরণ ও বড় শক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তারের লড়াই এই সম্পর্ককে আরও নাজুক করে তুলেছে। দুই দেশই এখন একে অপরের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে, যার ফলে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোও সংকুচিত হয়ে আসছে।