বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি, স্পাইওয়্যার এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ইসরায়েল স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতাসম্পন্ন সরকারগুলোর অন্যতম প্রধান মিত্রে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, রাষ্ট্রীয় কূটনীতি ও সাইবার প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে চলেছে।
প্রতিবেদনে এনএসও গ্রুপের তৈরি কুখ্যাত স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’-এর ব্যবহারের ওপর বিশেষ আলোকপাত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন দেশের সরকার এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের ওপর অবৈধভাবে নজরদারি চালিয়েছে। ২০১৩ সালে এনএসও গ্রুপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শালেভ হুলিও’র পানামা সফর এবং সেখানে ইসরায়েলি দূতাবাসের সহযোগিতায় পেগাসাস বিক্রির চুক্তি সম্পাদনের ঘটনাটি এই যোগসাজশের একটি বড় প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলি নজরদারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল বাণিজ্যিক মুনাফা অর্জন করছে না, বরং তারা ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে মোবাইল ডিভাইসের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এছাড়া স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স ও কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো এবং বট নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের অভিযোগও অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























