মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতে সহযোগিতায় আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্রীড়া শিক্ষায় অংশীদারিত্ব স্থাপনে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল এমপি।

বৈঠকে শিক্ষা খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাহ্দী আমিন বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে জানান, কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা, নতুন কারিকুলামে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তি এবং প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। তিনি শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। উভয় পক্ষই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এই সহযোগিতামূলক উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-কোরিয়া সিইপিএ: অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যাশা

বাংলাদেশের শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতে সহযোগিতায় আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্রীড়া শিক্ষায় অংশীদারিত্ব স্থাপনে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল এমপি।

বৈঠকে শিক্ষা খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাহ্দী আমিন বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে জানান, কর্মসংস্থানমুখী কারিগরি শিক্ষা, নতুন কারিকুলামে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তি এবং প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। তিনি শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। উভয় পক্ষই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। এই সহযোগিতামূলক উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।