একসময় যা ছিল কল্পবিজ্ঞানের গল্পের মতো, প্রযুক্তির উৎকর্ষে তা আজ বাস্তব। স্মার্টওয়াচের পর বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের হাতে শোভা পাচ্ছে ‘স্মার্ট রিং’। আকারে ছোট ও ওজনে হালকা এই ডিভাইসটি আঙুলেই মাপতে পারে হার্টবিট, ঘুমের মান, শরীরের তাপমাত্রা ও ক্যালোরি খরচের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। স্মার্টওয়াচের চেয়ে আঙুলের ধমনির কাছাকাছি অবস্থান করায় কিছু ক্ষেত্রে স্মার্ট রিঙের সেন্সর আরও নির্ভুল তথ্য দিতে সক্ষম বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
স্মার্ট রিংয়ের প্রধান উপযোগিতা হলো ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ। এটি ব্যবহারকারীর মানসিক চাপ, ঘুমের বিভিন্ন ধাপ এবং শারীরিক পুনরুদ্ধারের অবস্থা বিশ্লেষণ করে স্মার্টফোনে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠাতে পারে। অস্বাভাবিক কোনো স্বাস্থ্যগত সংকেত পেলে এটি ব্যবহারকারীকে সতর্কও করতে পারে। তবে এটি কোনোভাবেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়, বরং ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধির একটি সহায়ক মাধ্যম মাত্র।
স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি স্মার্ট রিং এখন ডিজিটাল লাইফস্টাইলেরও অংশ হয়ে উঠছে। আধুনিক অনেক মডেলে হাতের অঙ্গভঙ্গির (জেসচার) মাধ্যমে স্মার্টফোনের গান পরিবর্তন, ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ বা স্মার্ট হোম ডিভাইস পরিচালনার সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। যারা দীর্ঘসময় স্মার্টওয়াচ পরে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, তাদের জন্য স্মার্ট রিং একটি আরামদায়ক বিকল্প। এটি ব্যবহার করা যেমন সহজ, তেমনি এটি যেকোনো পোশাকের সঙ্গে মানানসই হওয়ায় বিশ্বজুড়ে এর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























