মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

বাকেরগঞ্জে বালুভর্তি বস্তায় রহস্যময় বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বালুভর্তি বস্তায় আকস্মিক বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি এবং নাতি ফাহিম। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, সোমবার সকাল ৬টার দিকে ঘরের পাশে রাখা বালুর বস্তাগুলোতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় আশেপাশে থাকা হনুফা বেগম, ইতি ও ফাহিম অগ্নিদগ্ধ হন। প্রাণ বাঁচাতে তারা দ্রুত পাশের নদীতে ঝাঁপ দেন, এতে শরীরের কাপড় পুড়ে গেলেও তারা প্রাণে রক্ষা পান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বালুর বস্তার ভেতরে কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল এবং এর পেছনে কোনো নাশকতার পরিকল্পনা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছে। বর্তমানে এলাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং অপরাধীদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে পিকআপের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত

বাকেরগঞ্জে বালুভর্তি বস্তায় রহস্যময় বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

আপডেট সময় : ০৪:০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বালুভর্তি বস্তায় আকস্মিক বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি এবং নাতি ফাহিম। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, সোমবার সকাল ৬টার দিকে ঘরের পাশে রাখা বালুর বস্তাগুলোতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় আশেপাশে থাকা হনুফা বেগম, ইতি ও ফাহিম অগ্নিদগ্ধ হন। প্রাণ বাঁচাতে তারা দ্রুত পাশের নদীতে ঝাঁপ দেন, এতে শরীরের কাপড় পুড়ে গেলেও তারা প্রাণে রক্ষা পান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বালুর বস্তার ভেতরে কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল এবং এর পেছনে কোনো নাশকতার পরিকল্পনা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছে। বর্তমানে এলাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং অপরাধীদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।