দেশের সার্বভৌমত্ব সুদৃঢ় করতে চট্টগ্রাম বন্দর, সমুদ্র ও নৌপথের শক্তিশালীকরণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সমুদ্র-নৌপথকে যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে সজ্জিত করতে পারলে দেশের সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী হবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: প্রতিরোধ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নাহিদ ইসলাম বর্তমান সরকারের (বিএনপি) সমালোচনা করে বলেন, এখনও সংস্কার ও বিচারের দাবিতে কথা বলতে হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল সনদ বাস্তবায়ন না হলে, যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, তাদের পরিণতি স্বৈরতান্ত্রিক হবে।
তিনি আরও যোগ করেন, “রাষ্ট্রপতি কে হবেন তার ভার প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। এতদিন যে ক্ষমতার ভারসাম্যের আলোচনা হয়েছে, সরকার তার উল্টোদিকে হাঁটছে। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে জনগণ বর্তমান সরকারের (বিএনপি) কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমরা একটি অসমাপ্ত কাজ করেছি। সেসময় আমরা কারও সমর্থন পাইনি। এখন যারা এই গণঅভ্যুত্থানের কর্তৃত্ব দাবি করছে, তারা সবার আগে ক্যান্টনমেন্ট চলে গেছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সেসময়ের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা উচিত।”
বিগত সরকারের (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়বেন, এটি অনেকের প্রত্যাশা ছিল। তবে ক্ষমতার কাঠামোর পরিবর্তন কিংবা তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন, এমনটি অনেকের প্রত্যাশায় ছিল না। বরং আওয়ামী লীগকে বিরোধী দলে রেখে পরবর্তীতে আবার ক্ষমতায় আনার একটি পরিকল্পনা ছিল।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকার পর চট্টগ্রাম শহর আন্দোলন-সংগ্রামের দুর্গ হিসেবে গড়ে উঠেছিল, যার সূত্রপাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ভবিষ্যতেও জনগণের পক্ষে যেকোনো আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























