সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টন এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতার সাম্প্রতিক ভূমিকা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একের পর এক বিতর্কিত ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি সংকটের মুখে পড়ায় নড়েচড়ে বসেছে দলটির হাইকমান্ড। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ইতিমধ্যেই বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনপ্রতিনিধিদের জন্য নতুন করে দিকনির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সম্প্রতি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সরকারি বাইসাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগে এক স্থানীয় নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক অনুদানের তালিকায় নিজের মেয়ের নাম থাকায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। যদিও পরবর্তীতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে তালিকা সংশোধন করেছেন, তবুও বিষয়টি নিয়ে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। এছাড়া জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে ভুল তথ্য প্রদান এবং ব্যক্তিগত বিলাসিতার দাবি তুলে আরও কয়েকজন সংসদ সদস্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
এসব ঘটনায় জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মী ও হাইকমান্ড চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। দলের নীতি-নির্ধারকরা মনে করছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিকভাবে দলের ক্ষতি করছে। তাই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে জামায়াত নেতাদের আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
রিপোর্টারের নাম 

























