ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

১১ কোটির বর্জ্য শোধন প্রকল্প অকেজো: জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে সুফলহীন নীলফামারী পৌরসভা

নীলফামারী পৌরসভায় প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘ফিকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ (এফএসটিপি) জনবল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবেশ দূষণ রোধ এবং মানববর্জ্য থেকে জৈবসার উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি চালু করা হলেও বর্তমানে এটি কোনো কাজেই আসছে না। আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং দক্ষ জনবল সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে এই বিশাল বিনিয়োগ।

২০২৩ সালে ২ দশমিক ৮৯ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল শহর থেকে সংগৃহীত বর্জ্য শোধন করে সার উৎপাদন করা। তবে বর্জ্য থেকে প্লাস্টিক ও পলিথিন আলাদা করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা না থাকায় হাতে কাজ করা নারী শ্রমিকদের পক্ষে এটি অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে শোধন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে সেখানে বর্জ্যের স্তূপ জমে দূষণ আরও বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়া এই প্ল্যান্ট পুরোপুরি সচল করা সম্ভব নয়। পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করার মতো যান্ত্রিক সুবিধা না থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে কোটি টাকার এই সরকারি সম্পদ এখন জনস্বার্থে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক টাকার বেতন আর এক সমুদ্র উদারতা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অজানা মানবিক দিক

১১ কোটির বর্জ্য শোধন প্রকল্প অকেজো: জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে সুফলহীন নীলফামারী পৌরসভা

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

নীলফামারী পৌরসভায় প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘ফিকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ (এফএসটিপি) জনবল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবেশ দূষণ রোধ এবং মানববর্জ্য থেকে জৈবসার উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি চালু করা হলেও বর্তমানে এটি কোনো কাজেই আসছে না। আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং দক্ষ জনবল সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে এই বিশাল বিনিয়োগ।

২০২৩ সালে ২ দশমিক ৮৯ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল শহর থেকে সংগৃহীত বর্জ্য শোধন করে সার উৎপাদন করা। তবে বর্জ্য থেকে প্লাস্টিক ও পলিথিন আলাদা করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা না থাকায় হাতে কাজ করা নারী শ্রমিকদের পক্ষে এটি অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে শোধন প্রক্রিয়ার পরিবর্তে সেখানে বর্জ্যের স্তূপ জমে দূষণ আরও বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়া এই প্ল্যান্ট পুরোপুরি সচল করা সম্ভব নয়। পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করার মতো যান্ত্রিক সুবিধা না থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে কোটি টাকার এই সরকারি সম্পদ এখন জনস্বার্থে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।