প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা প্রদানের একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এখন নিজেই সংকটে পড়েছে। দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ডপলার রাডারই বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এর ফলে ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী বা ভারী বৃষ্টির নিখুঁত ও তাৎক্ষণিক পূর্বাভাস দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ঢাকা, কক্সবাজার, পটুয়াখালীর খেপুপাড়া, রংপুর ও মৌলভীবাজারে অবস্থিত রাডারগুলো কারিগরি ত্রুটি এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সচল নেই। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের ঝড়ের গতিপথ ও তীব্রতা নির্ণয়ে এই রাডারগুলো অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে বিকল্প হিসেবে বিদেশি স্যাটেলাইট বা প্রতিবেশী দেশের তথ্য ব্যবহার করা হলেও তা স্থানীয় পর্যায়ে নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, রাডার ব্যবস্থা অচল থাকা মানেই জানমালের বড় ধরনের ঝুঁকি। ১৯৭০ বা ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক প্রাণহানির অন্যতম কারণ ছিল সঠিক সময়ে সতর্কবার্তা না পৌঁছানো। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই সংকট দ্রুত সমাধান না করলে যেকোনো বড় দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতিের মাত্রা ভয়াবহ হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 






















