ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে দেশজুড়ে স্থবিরতা, এক দফা দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। ২০২৪ সালের ৭ জুলাই শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাব, নীলক্ষেত এবং বাংলামোটরসহ গুরুত্বপূর্ণ সব মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বের চার দফা দাবি থেকে সরে এসে ‘এক দফা’ ঘোষণা করেন, যা ছিল সব গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংসদে নতুন আইন পাস করা।

আন্দোলন চলাকালে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য তিন সমন্বয়ককে থানায় ডেকে নেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে অনড় থাকেন। সমন্বয়করা জানান, কোনো গোলটেবিল বৈঠক বা প্রহসন তারা মেনে নেবেন না। নির্বাহী বিভাগ চাইলে নতুন পরিপত্র জারি করে এই সংকটের সমাধান করতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেন। আন্দোলনের কারণে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই রাজধানীসহ সারাদেশের সড়ক ও জনপথ স্থবির হয়ে পড়ে, ফলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

তৎকালীন সরকার প্রধান এই আন্দোলনকে আদালতের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করলেও শিক্ষার্থীরা তা রাজপথে নিষ্পত্তির ঘোষণা দেন। পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনের রেশ পরবর্তী দিনগুলোতে আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। রাজধানীর প্রধান প্রধান প্রবেশপথগুলো বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়, যা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্বের সংকট ও উগ্র হিন্দুত্ববাদের উত্থান: নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে দেশজুড়ে স্থবিরতা, এক দফা দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। ২০২৪ সালের ৭ জুলাই শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাব, নীলক্ষেত এবং বাংলামোটরসহ গুরুত্বপূর্ণ সব মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বের চার দফা দাবি থেকে সরে এসে ‘এক দফা’ ঘোষণা করেন, যা ছিল সব গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংসদে নতুন আইন পাস করা।

আন্দোলন চলাকালে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য তিন সমন্বয়ককে থানায় ডেকে নেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে অনড় থাকেন। সমন্বয়করা জানান, কোনো গোলটেবিল বৈঠক বা প্রহসন তারা মেনে নেবেন না। নির্বাহী বিভাগ চাইলে নতুন পরিপত্র জারি করে এই সংকটের সমাধান করতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেন। আন্দোলনের কারণে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই রাজধানীসহ সারাদেশের সড়ক ও জনপথ স্থবির হয়ে পড়ে, ফলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

তৎকালীন সরকার প্রধান এই আন্দোলনকে আদালতের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করলেও শিক্ষার্থীরা তা রাজপথে নিষ্পত্তির ঘোষণা দেন। পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনের রেশ পরবর্তী দিনগুলোতে আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। রাজধানীর প্রধান প্রধান প্রবেশপথগুলো বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়, যা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।