ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের দায়ে নেতানিয়াহুর ওপর নিষেধাজ্ঞা চান ৭১ ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা

ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতনের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার বিচারমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি তুলেছেন ৭১ জন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব ইভেত কুপারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

লেবার পার্টির এমপি নিল ডানকান-জর্ডানের নেতৃত্বে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ইসরাইল সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মদতেই ফিলিস্তিনিদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ৩০ জন সংসদ সদস্য এবং হাউজ অব লর্ডসের সাতজন সদস্য রয়েছেন। তারা ইসরাইলি প্রশাসনে জেঁকে বসা ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন।

চিঠিতে জাতিসংঘের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়, গাজায় বন্দিদের ওপর যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং গণহত্যার মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ব্রিটিশ এমপিরা মনে করেন, এর আগে ইসরাইলের কট্টরপন্থি কয়েকজন মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলেও তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট ছিল না। তাই এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৃষ্টিহীনতা দূরীকরণে সরকারের যুগান্তকারী উদ্যোগ: ১০ লাখ ছানি অপারেশন হবে বিনামূল্যে

ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের দায়ে নেতানিয়াহুর ওপর নিষেধাজ্ঞা চান ৭১ ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা

আপডেট সময় : ১১:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতনের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার বিচারমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি তুলেছেন ৭১ জন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রসচিব ইভেত কুপারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

লেবার পার্টির এমপি নিল ডানকান-জর্ডানের নেতৃত্বে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ইসরাইল সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মদতেই ফিলিস্তিনিদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ৩০ জন সংসদ সদস্য এবং হাউজ অব লর্ডসের সাতজন সদস্য রয়েছেন। তারা ইসরাইলি প্রশাসনে জেঁকে বসা ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন।

চিঠিতে জাতিসংঘের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়, গাজায় বন্দিদের ওপর যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং গণহত্যার মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ব্রিটিশ এমপিরা মনে করেন, এর আগে ইসরাইলের কট্টরপন্থি কয়েকজন মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলেও তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট ছিল না। তাই এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।