ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

নুসরাত হত্যা মামলার ৭ বছর: হাইকোর্টে ঝুলে আছে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও সাত বছরেও শেষ হয়নি মামলার চূড়ান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া। বিচারিক আদালত মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও বর্তমানে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি আটকে আছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে নুসরাতের পরিবার এখন বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছে।

২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করায় মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায় এই নৃশংসতা চালানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত। দ্রুততম সময়ে বিচার শেষে নিম্ন আদালত ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও উচ্চ আদালতে মামলাটি থমকে আছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, ২০১৯ সালের শেষ দিকে মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হলেও বর্তমানে শুনানি শুরু না হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। নুসরাতের পরিবারের দাবি, দ্রুত এই শুনানির কাজ শেষ করে আসামিদের সাজা কার্যকর করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতার পাঁচ মাস: তৃণমূল ও কেন্দ্রে বিএনপির সাংগঠনিক জড়তা কাটাতে কাউন্সিলের অপেক্ষা

নুসরাত হত্যা মামলার ৭ বছর: হাইকোর্টে ঝুলে আছে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও সাত বছরেও শেষ হয়নি মামলার চূড়ান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া। বিচারিক আদালত মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও বর্তমানে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি আটকে আছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে নুসরাতের পরিবার এখন বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা ও হতাশায় দিন কাটাচ্ছে।

২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করায় মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায় এই নৃশংসতা চালানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত। দ্রুততম সময়ে বিচার শেষে নিম্ন আদালত ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও উচ্চ আদালতে মামলাটি থমকে আছে।

আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী, ২০১৯ সালের শেষ দিকে মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হলেও বর্তমানে শুনানি শুরু না হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। নুসরাতের পরিবারের দাবি, দ্রুত এই শুনানির কাজ শেষ করে আসামিদের সাজা কার্যকর করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।