ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্বে বড় ধস: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা কম আদায়

দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টম হাউসে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা শতাংশের হিসেবে প্রায় ৪২ শতাংশ ঘাটতি। একই সঙ্গে বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির পরিমাণও গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

কাস্টমস হাউসের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। গত বছরের তুলনায় পণ্য আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টন। ডলার সংকট, আন্তর্জাতিক বাজারে মন্দা এবং শুল্ক কাঠামোর পরিবর্তনের কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানিতে নিরুৎসাহিত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীদের মতে, আমদানিকৃত পণ্যের যথাযথ শুল্কায়ন এবং ডিজিটাল নজরদারি বাড়ানো হলে রাজস্ব ঘাটতি কমানো সম্ভব। বর্তমানে শিল্প কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানি কমে যাওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সরকারি কোষাগারে। আধুনিক স্ক্যানিং ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই সংকট উত্তরণের আহ্বান জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক টাকার বেতন আর এক সমুদ্র উদারতা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অজানা মানবিক দিক

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্বে বড় ধস: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা কম আদায়

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টম হাউসে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা শতাংশের হিসেবে প্রায় ৪২ শতাংশ ঘাটতি। একই সঙ্গে বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির পরিমাণও গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

কাস্টমস হাউসের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। গত বছরের তুলনায় পণ্য আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টন। ডলার সংকট, আন্তর্জাতিক বাজারে মন্দা এবং শুল্ক কাঠামোর পরিবর্তনের কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানিতে নিরুৎসাহিত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীদের মতে, আমদানিকৃত পণ্যের যথাযথ শুল্কায়ন এবং ডিজিটাল নজরদারি বাড়ানো হলে রাজস্ব ঘাটতি কমানো সম্ভব। বর্তমানে শিল্প কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানি কমে যাওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সরকারি কোষাগারে। আধুনিক স্ক্যানিং ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই সংকট উত্তরণের আহ্বান জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।