ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ইরানি হামলায় লণ্ডভণ্ড ইসরায়েলের বৃহত্তম তেল শোধনাগার, মেরামতে লাগবে কয়েক বছর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাইফা উপসাগরের বৃহত্তম তেল শোধনাগারটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ শুরুতে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও এখন জানা যাচ্ছে যে, এটি পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় সচল করতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের দুটি পৃথক হামলায় শোধনাগারটির গ্যাস টারবাইন, স্টিম বয়লার এবং বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষসহ প্রধান স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও সে সময় ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী এবং শোধনাগার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘বাজান’ দাবি করেছিল যে, সেখানে কোনো বড় ক্ষতি হয়নি এবং উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে ইসরায়েলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ সরকারি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শোধনাগারটির অবকাঠামো এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেখানে বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ কাজের প্রয়োজন। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয় সেখানে সংস্কার কাজের অনুমোদন দিয়েছে।

বাজান তেল শোধনাগারটি ইসরায়েলের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকেই দেশটির শিল্পকারখানা, কৃষি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। বছরে প্রায় ৯৮ লাখ টন অপরিশোধিত তেল শোধনের সক্ষমতা সম্পন্ন এই স্থাপনাটি দীর্ঘকাল অকেজো থাকলে ইসরায়েলের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মেসি ছাড়া কেইনের সমকক্ষ কেউ নেই: গর্ডন

ইরানি হামলায় লণ্ডভণ্ড ইসরায়েলের বৃহত্তম তেল শোধনাগার, মেরামতে লাগবে কয়েক বছর

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাইফা উপসাগরের বৃহত্তম তেল শোধনাগারটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ শুরুতে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও এখন জানা যাচ্ছে যে, এটি পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় সচল করতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের দুটি পৃথক হামলায় শোধনাগারটির গ্যাস টারবাইন, স্টিম বয়লার এবং বৈদ্যুতিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষসহ প্রধান স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও সে সময় ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী এবং শোধনাগার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘বাজান’ দাবি করেছিল যে, সেখানে কোনো বড় ক্ষতি হয়নি এবং উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে ইসরায়েলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ সরকারি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শোধনাগারটির অবকাঠামো এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেখানে বড় ধরনের পুনর্নির্মাণ কাজের প্রয়োজন। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয় সেখানে সংস্কার কাজের অনুমোদন দিয়েছে।

বাজান তেল শোধনাগারটি ইসরায়েলের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকেই দেশটির শিল্পকারখানা, কৃষি ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। বছরে প্রায় ৯৮ লাখ টন অপরিশোধিত তেল শোধনের সক্ষমতা সম্পন্ন এই স্থাপনাটি দীর্ঘকাল অকেজো থাকলে ইসরায়েলের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।