ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় লেবানন-সিরিয়ার ঐতিহাসিক সমঝোতা চুক্তি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

লেবানন ও সিরিয়া পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিটি এমন এক সময়ে সম্পন্ন হলো যখন উভয় দেশই ইসরায়েলের চলমান সামরিক হামলা ও দখল অভিযানের মুখোমুখি হয়ে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বৈরুতে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালামের উপস্থিতিতে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এবং দুই দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, এই চুক্তিতে উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, জাতীয় ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দুই পক্ষের সমতা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

পাকুন্দিয়ায় কৃষকদল নেতার মরদেহ উত্তোলন: মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে ময়নাতদন্তের নির্দেশ

সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় লেবানন-সিরিয়ার ঐতিহাসিক সমঝোতা চুক্তি

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

লেবানন ও সিরিয়া পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিটি এমন এক সময়ে সম্পন্ন হলো যখন উভয় দেশই ইসরায়েলের চলমান সামরিক হামলা ও দখল অভিযানের মুখোমুখি হয়ে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বৈরুতে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালামের উপস্থিতিতে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এবং দুই দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, এই চুক্তিতে উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, জাতীয় ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দুই পক্ষের সমতা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।