ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

নাশকতার দুই মামলায় খালাস পেলেন যুবদল নেতা ইসহাক

ঢাকার বংশাল ও কোতোয়ালি থানার পৃথক দুই নাশকতার মামলায় আপিলে খালাস পেয়েছেন দণ্ডিত যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সেলিনা আক্তার আপিলের রায়ে তাকে খালাস দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মামুন মিয়া এ তথ্য জানান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর বংশাল থানার নাশকতার মামলায় ইসহাক সরকারকে পৃথক দুই ধারায় আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে একই বছরের ৭ অগাস্ট কোতোয়ালি থানার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর দুই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ইশহাক সরকার। ওইদিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর আপিলের শর্তে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন তিনি। পরে সাজার বিরুদ্ধে আপিল করে আজ খালাস পেলেন তিনি।

দুই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুরসহ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইসহাক সরকারসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করে পুলিশ।

ওই বছরের ২৯ অক্টোবর বংশাল থানার এলাকায় ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয়। তখন তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা করলে ইটপাটকেল, লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করে। এ সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ করে। এ ঘটনায় বংশাল থানায় মামলা করে পুলিশ।

 

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

নাশকতার দুই মামলায় খালাস পেলেন যুবদল নেতা ইসহাক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকার বংশাল ও কোতোয়ালি থানার পৃথক দুই নাশকতার মামলায় আপিলে খালাস পেয়েছেন দণ্ডিত যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সেলিনা আক্তার আপিলের রায়ে তাকে খালাস দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মামুন মিয়া এ তথ্য জানান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর বংশাল থানার নাশকতার মামলায় ইসহাক সরকারকে পৃথক দুই ধারায় আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে একই বছরের ৭ অগাস্ট কোতোয়ালি থানার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর দুই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ইশহাক সরকার। ওইদিন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর আপিলের শর্তে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন তিনি। পরে সাজার বিরুদ্ধে আপিল করে আজ খালাস পেলেন তিনি।

দুই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুরসহ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইসহাক সরকারসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করে পুলিশ।

ওই বছরের ২৯ অক্টোবর বংশাল থানার এলাকায় ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয়। তখন তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা করলে ইটপাটকেল, লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করে। এ সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ করে। এ ঘটনায় বংশাল থানায় মামলা করে পুলিশ।