আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬, যা প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেখানে ঐতিহাসিক অনেক রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা রয়েছে। ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আসরটি শুধু দল সংখ্যার দিক থেকেই নয়, বরং বহু বছরের পুরোনো রেকর্ডগুলো নতুন করে লেখার সুযোগ করে দেবে। ফুটবলপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এমন পাঁচটি সম্ভাব্য রেকর্ডের দিকে, যা এই বিশ্বকাপকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি বর্তমানে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দখলে, যেখানে মোট ১৭২টি গোল হয়েছিল। তবে এবার ম্যাচ সংখ্যা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়িয়েছে, যা আগের চেয়ে ৪০টি বেশি। এই অতিরিক্ত ম্যাচগুলোর কারণে ১৭২ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়া কেবল প্রত্যাশিতই নয়, ২০০ গোলও অতিক্রম করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এছাড়াও, ছয়টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের এক অনন্য রেকর্ড গড়ার সুযোগ রয়েছে লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং গুইলার্মো ওচোয়ার সামনে। এরা প্রত্যেকেই পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলেছেন এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলে তারা ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করবেন।
মিরোস্লাভ ক্লোসার করা ১৬ গোলের রেকর্ডটি বর্তমানে সর্বোচ্চ। তবে, মেসি (১৩ গোল) এবং এমবাপ্পে (১২ গোল) এই রেকর্ড ভাঙার কাছাকাছি রয়েছেন। মেসির চারটি এবং এমবাপ্পের পাঁচটি গোল প্রয়োজন এই রেকর্ড নিজের নামে করার জন্য।
খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও ক্লোসার দখলে (১৭ জয়)। মেসির বর্তমানে ১৬টি জয় রয়েছে, তাই গ্রুপ পর্বে দুটি ম্যাচ জিতলেই তিনি এই রেকর্ডটি ভেঙে দিতে পারেন।
কোচ হিসেবে হেলমুট শনের ১৬টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে অটুট রয়েছে। তবে, ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম ১৪টি জয় নিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। ফ্রান্স দুটি ম্যাচ জিতলে তিনি রেকর্ডে সমতা আনবেন, এবং তিনটি জিতলে নতুন রেকর্ড গড়বেন।
রিপোর্টারের নাম 























