আওয়ামী লীগের শেরপুর জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার পালের জামিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। জামিন ইস্যুকে সামনে রেখে তারা জেলা জজ ও পাবলিক প্রসিকিউটরকে অপসারণসহ সাত দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন।
আদালত ও ডিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান
সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে আন্দোলনকারীরা শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভ চলাকালীন তারা তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য স্লোগান দিতে থাকেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি, চন্দন কুমার পালকে জামিন দেওয়া এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের পক্ষপাতিত্ব ছিল।
প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত
দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষোভ চলার পর, দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসক আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক তাদের দাবিগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর আশ্বাস দিলে, আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে সেখান থেকে চলে যান।
রিপোর্টারের নাম 



















