কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে সালিশি বৈঠকে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিকালে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গলাচিপা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। নির্বাচনের পর থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল এবং এর আগেও কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার বিকালে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেই বৈঠকে সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমেদ ও তার সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আগে থেকেই অবস্থান নেয়। সালিশ চলাকালে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ছৈয়দ আলমের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
আহত ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম অভিযোগ করেছেন যে, বিচার সালিশের নামে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, একটি পূর্বের ঝগড়ার মীমাংসার জন্য সালিশ ডাকা হয়েছিল, কিন্তু সেখানে নিরপেক্ষ বিচার না করে তাদের ওপর হামলা করা হয় এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি ইউএনও ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















