ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত দুবাই প্রবাসী আহম্মেদ আলীর মরদেহ সিলেটে পৌঁছেছে। সোমবার দুপুরে তার বহনকারী বিমান সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী লাশ গ্রহণ করেন।
লাশ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী জানান, চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত চারজন বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আহম্মেদ আলীর মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে এবং বাকি তিনজন প্রবাসীর লাশও বিদেশে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে দেশে আনা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি ক্রাইসিস টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমের মাধ্যমে যারা যুদ্ধের কারণে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না, তাদের খাদ্য সহায়তা এবং আহতদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির আশপাশে অবস্থানরত প্রবাসীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সংকট মোকাবিলায় সরকারের পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং প্রবাসীদের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, সরকার তা করবে। এসময় তিনি জানান, লেবাননেও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিহত আহম্মেদ আলীর স্বজন কামাল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তার ভাই ২৭ বছর ধরে প্রবাসে বসবাস করছিলেন। তিনি মনে করেন, আহম্মেদ আলী দেশের একজন শ্রেষ্ঠ প্রবাসী। তার ভাই যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর থেকে মরদেহ দেশে আনা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী যে সহযোগিতা করেছেন, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীও তার ভাই নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকে নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং লাশ দেশে আনার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























