মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ: সমাধান কোন পথে?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

গাজায় চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনে একটি নতুন সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হলো হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং বিনিময়ে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার। তবে এই শর্ত বাস্তবায়নের ক্রম নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

হামাস জানিয়েছে, গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনী আগে প্রত্যাহার করা হলে তবেই তারা অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টি বিবেচনা করবে। অন্যদিকে, ইসরাইল তার অবস্থানে অনড়; তারা চায় হামাস আগে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হোক, এরপরই সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি কার্যকর করা হবে। ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মতে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ইসরাইলি সেনা সরে যাওয়ার পর একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে। তবে কে আগে পদক্ষেপ নেবে—এই প্রশ্নেই আটকে আছে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া। গাজার সাধারণ মানুষের জন্য এই যুদ্ধ বন্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি, কিন্তু দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী অবস্থান শান্তি আলোচনার পথকে জটিল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী: ফেনীতে প্রতীকী আদালতে বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ ঘাতকদের প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ: সমাধান কোন পথে?

আপডেট সময় : ১০:১৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

গাজায় চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনে একটি নতুন সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হলো হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং বিনিময়ে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার। তবে এই শর্ত বাস্তবায়নের ক্রম নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

হামাস জানিয়েছে, গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনী আগে প্রত্যাহার করা হলে তবেই তারা অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টি বিবেচনা করবে। অন্যদিকে, ইসরাইল তার অবস্থানে অনড়; তারা চায় হামাস আগে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হোক, এরপরই সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি কার্যকর করা হবে। ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মতে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ইসরাইলি সেনা সরে যাওয়ার পর একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গাজার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে। তবে কে আগে পদক্ষেপ নেবে—এই প্রশ্নেই আটকে আছে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া। গাজার সাধারণ মানুষের জন্য এই যুদ্ধ বন্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি, কিন্তু দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী অবস্থান শান্তি আলোচনার পথকে জটিল করে তুলেছে।