মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

বাড়ছে অপরাধের প্রবণতা: জনমনে বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অপরাধের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে হত্যাকাণ্ড, ছিনতাই, ডাকাতি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনা জনমনে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করছে। পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে অপরাধের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত জুন মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৯৪টিতে, যা বছরের শুরুতে ছিল ১ হাজার ২৮১টি। একই সময়ে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যাও ২৮৭ থেকে বেড়ে ৩২৩-এ পৌঁছেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সর্বশেষ গত ২ আগস্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফে মহাসড়কে গাছ ফেলে ৬০ লাখ টাকা লুট ও গুলি বর্ষণের ঘটনা জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এছাড়া পারিবারিক কলহের জেরে রাজধানীতে জোড়া খুনের মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য কমাতে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের সেই বিভীষিকা: হাসপাতালের রক্তাক্ত দিনগুলোর স্মৃতিচারণ

বাড়ছে অপরাধের প্রবণতা: জনমনে বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা

আপডেট সময় : ০৭:০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অপরাধের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে হত্যাকাণ্ড, ছিনতাই, ডাকাতি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনা জনমনে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করছে। পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে অপরাধের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত জুন মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৯৪টিতে, যা বছরের শুরুতে ছিল ১ হাজার ২৮১টি। একই সময়ে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যাও ২৮৭ থেকে বেড়ে ৩২৩-এ পৌঁছেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সর্বশেষ গত ২ আগস্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফে মহাসড়কে গাছ ফেলে ৬০ লাখ টাকা লুট ও গুলি বর্ষণের ঘটনা জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এছাড়া পারিবারিক কলহের জেরে রাজধানীতে জোড়া খুনের মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য কমাতে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।