মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

গোলাপগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচারের অপেক্ষায় সাত শহীদের পরিবার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঠিক আগের উত্তাল দিনগুলোতে দেশজুড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘এক দফা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ। এদিন পুলিশ ও বিজিবির গুলিবর্ষণে সাতজন ছাত্র-জনতা প্রাণ হারান এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও স্বজনদের অভিযোগ, এখনো বিচার প্রক্রিয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

সেদিন কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা ঢাকা দক্ষিণ সরকারি কলেজ ও বহুমুখী কলেজ প্রাঙ্গণে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত চৌধুরীর নেতৃত্বে বিজিবি ও পুলিশের টহল দল বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে বিজিবি রাবার বুলেট ও স্প্রিং বুলেটসহ সরাসরি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই নাজমুল ইসলাম, তাজউদ্দীন ও সানি আহমদ নিহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয় আহমদসহ আরও চারজন মারা যান।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরাও আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয়েছিল। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে শহীদদের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের কাছে সেই রক্তাক্ত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী: ফেনীতে প্রতীকী আদালতে বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ ঘাতকদের প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর

গোলাপগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর: বিচারের অপেক্ষায় সাত শহীদের পরিবার

আপডেট সময় : ১০:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঠিক আগের উত্তাল দিনগুলোতে দেশজুড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘এক দফা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ। এদিন পুলিশ ও বিজিবির গুলিবর্ষণে সাতজন ছাত্র-জনতা প্রাণ হারান এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও স্বজনদের অভিযোগ, এখনো বিচার প্রক্রিয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

সেদিন কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা ঢাকা দক্ষিণ সরকারি কলেজ ও বহুমুখী কলেজ প্রাঙ্গণে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত চৌধুরীর নেতৃত্বে বিজিবি ও পুলিশের টহল দল বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে বিজিবি রাবার বুলেট ও স্প্রিং বুলেটসহ সরাসরি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই নাজমুল ইসলাম, তাজউদ্দীন ও সানি আহমদ নিহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয় আহমদসহ আরও চারজন মারা যান।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরাও আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয়েছিল। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে শহীদদের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের কাছে সেই রক্তাক্ত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।