মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

বাঁশখালীতে বন্যায় কৃষি খাতে শত কোটি টাকার ক্ষতি: বিপাকে ২৭ হাজার কৃষক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যায় কৃষি ও সবজি চাষে বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ি ঢল ও সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্রায় ৩,৪৪৬ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন ২৭ হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসেবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকার ক্ষতির কথা বলা হলেও, ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, সবজি ও অন্যান্য ফসলের প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম এখন আকাশচুম্বী। কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা এবং কাকরোল ও বরবটির মতো নিত্যপণ্য ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, বন্যায় তাদের ক্ষেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পুঁজি হারিয়ে তারা দিশেহারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন। কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে সহজশর্তে দ্রুত কৃষি ঋণ ও সরকারি প্রণোদনা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী কৃষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী: ফেনীতে প্রতীকী আদালতে বিগত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ ঘাতকদের প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর

বাঁশখালীতে বন্যায় কৃষি খাতে শত কোটি টাকার ক্ষতি: বিপাকে ২৭ হাজার কৃষক

আপডেট সময় : ১০:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যায় কৃষি ও সবজি চাষে বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ি ঢল ও সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্রায় ৩,৪৪৬ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন ২৭ হাজার কৃষক। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসেবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকার ক্ষতির কথা বলা হলেও, ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, সবজি ও অন্যান্য ফসলের প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম এখন আকাশচুম্বী। কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা এবং কাকরোল ও বরবটির মতো নিত্যপণ্য ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় চাষিরা জানান, বন্যায় তাদের ক্ষেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পুঁজি হারিয়ে তারা দিশেহারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন। কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে সহজশর্তে দ্রুত কৃষি ঋণ ও সরকারি প্রণোদনা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী কৃষকরা।