শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অতিরিক্ত সচিব শোয়াইব আহমাদ খান বলেছেন, এবারের পরীক্ষায় ফলাফলের সময়ে মন্ত্রণালয় বা সরকার থেকে কোনো (বিশেষ) নির্দেশনা দেওয়া ছিল না। এই ছন্দপতনের কারণেই হয়তো অন্যান্য বছরের তুলনায় ফল খারাপ হয়েছে। সরকার নিজের বাহবা কুড়ানোর জন্য ইচ্ছা করে কোনো রকমের নির্দেশনা দেয়নি।
মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ের কারণ এবং তা থেকে উত্তরণের জন্য কী করণীয়, সে বিষয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
শোয়াইব আহমাদ খান বলেন, “একসময় প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সময় নির্দেশনা দেওয়া হতো, পরীক্ষা গ্রহণের সময় নির্দেশনা দেওয়া হতো, এবং সর্বোপরি খাতা মূল্যায়নের সময় বিশেষ নির্দেশনা থাকতো যে, নির্দিষ্ট পরিমাণ পাশ না করালে শোকজের আওতায় আসতে পারেন। যে কারণে অনেক সময় পাস করার যোগ্য নয়, এমন শিক্ষার্থীদেরও আমাদের শিক্ষকরা পাস করাতে বাধ্য হয়েছেন।”
ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কের অবনতি সম্পর্কে অতিরিক্ত সচিব বলেন, “আগে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের ভয় পেত, সম্মান করত, কিন্তু এখন শিক্ষকরাই তাদের ভয় পায়। যে কারণে তাদের শাসন করা সম্ভব হয় না। তবুও আমি মনে করি, যদি একজন শিক্ষক সত্যিকার অর্থেই আদর্শ শিক্ষক হন, শিক্ষার্থীদের আদর করতে পারেন, তাহলে তিনি শাসনও করতে পারেন। ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কের এই অবনতির ক্ষেত্রে উভয়েরই দায়-দায়িত্ব রয়েছে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির, জেলা পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমান ও বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
রিপোর্টারের নাম 






















