ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এমপিও’র আশ্বাস পেলেও ফাইল সই না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন ইবতেদায়ি শিক্ষকরা

দীর্ঘ ২১ দিন আন্দোলনের পর অবশেষে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের এমপিও নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। এক-দুই দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এমপিও ফাইলে অনুমোদন দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে শিক্ষকরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের যে আশ্বাস পেয়েছি তার বাস্তবায়ন দেখে আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফিরে যাবো।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘সচিবালয়ে সচিবের সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে সচিব বলেছেন, এমপিও ফাইল প্রধান উপদেষ্টার দফতরে পাঠানো হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে ফাইল অনুমোদন স্বাক্ষর করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।’

মন্ত্রণালয়ের এই আশ্বাসের পর আন্দোলন স্থগিত করবেন কিনা জানতে চাইলে কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘যতক্ষণ এমপিও ফাইলে স্বাক্ষর না হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। গত ১৩ অক্টোবর আমরা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছি। এমপিওভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হলে আমরা ক্লাসে ফিরবো।’

রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে যমুনা অভিমুখে লং মার্চের ডাক দেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা। জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে লং মার্চ শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে রাস্তায়ই বসে পড়েন শত শত শিক্ষক। ফলে পল্টন থেকে কদম ফোয়ারা অভিমুখী সড়কটি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারী শিক্ষকরা রাস্তায়ই জোহরের নামাজ আদায় করেন।

রবিবারে (২ নভেম্বর) দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এই কর্মসূচিতে আসা শিক্ষকদের হাতে বিভিন্ন রকমের প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন দেখা যায়। ‘এমন কোনও দেশ নাই, চাকরি আছে বেতন নাই’ ‘ইবতেদায়ি শিক্ষক, হয়েছে কেন ভিক্ষুক’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে শিক্ষকরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন। ‘অবহেলার ৪০ বছর, মানুষ বাঁচে কত বছর’, ‘বাড়ি না রাস্তা- রাস্তা, রাস্তা’, ‘বৈষম্য নিপাত যাক, জাতীয়করণ মুক্তি পাক’, ‘এক দফা এক দাবি, জাতীয়করণ করতে হবে’- ইত্যাদি লেখা স্লোগান দিতে থাকেন।

এই পরিস্থিতির মধ্যে বিকালে শিক্ষক নেতাদের ডেকে নেওয়া হয় সচিবালয়ে। মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষকরা। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা নিশ্চিত হয়ে আন্দোলন থেকে ফিরে ক্লাসে যোগ দেবেন। যতক্ষণ নিশ্চিত না হই ততদিন আন্দোলন চলবে।’

প্রসঙ্গত, সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণে সরকারের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে গত ১৩ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে মোট ১৮ হাজার ১৮৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার নিবন্ধন দেয় সরকার। একই সময়ে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়কেও নিবন্ধন দেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতোই ১৯৯৪ সালে ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে ৫০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া শুরু হয়। একই সময় সমান অনুদান পাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সরকারি করা হয়েছে। আর সেই ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে এখনও সামান্য অনুদানই দেওয়া হচ্ছে।

বিগত সরকার ২৬ হাজার ১৫৯টি নিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ করে। আর প্রাথমিক সমমানের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বেতন কাঠামোর আওতায় আসেনি। তাদের দেওয়া হয় সামান্য অনুদান।

এর আগে ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জনবল কাঠামো ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত নীতিমালা করেছিল কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। যদিও সেই নীতিমালা অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাননি শিক্ষকরা। তবে নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর শিক্ষকরা সরকারি বেতনের অংশ পাবেন।

বর্তমানে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার প্রধানরা মাসিক সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও সহকারী শিক্ষকরা মাসিক ৩ হাজার ৩০০ টাকা অনুদান পান। শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে গত ২৮ জানুয়ারি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত এবং পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ করার ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ৫ মার্চ সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের শেষ কর্মদিবসে অ্যাডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বরধারী (ইআইআইএন) ১ হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন দেন।

১) অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি সরকারের ঘোষিত পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। ২) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পাঠানো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক হাজার ৮৯টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণের লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই করা ফাইলগুলো দ্রুত অনুমোদন করে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে। ৩) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনুদানবিহীন সব স্বতন্ত্র ইbতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিও আবেদনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ব্যবস্থাকরণ করতে হবে। ৪) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসায় প্রাক-প্রাথমিক পদ সৃষ্টি করতে হবে। ৫) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিদফতরের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জন্য আলাদা অধিদফতর স্থাপন করতে হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

এমপিও’র আশ্বাস পেলেও ফাইল সই না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন ইবতেদায়ি শিক্ষকরা

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ২১ দিন আন্দোলনের পর অবশেষে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের এমপিও নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। এক-দুই দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এমপিও ফাইলে অনুমোদন দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে শিক্ষকরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের যে আশ্বাস পেয়েছি তার বাস্তবায়ন দেখে আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফিরে যাবো।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘সচিবালয়ে সচিবের সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে সচিব বলেছেন, এমপিও ফাইল প্রধান উপদেষ্টার দফতরে পাঠানো হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে ফাইল অনুমোদন স্বাক্ষর করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।’

মন্ত্রণালয়ের এই আশ্বাসের পর আন্দোলন স্থগিত করবেন কিনা জানতে চাইলে কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘যতক্ষণ এমপিও ফাইলে স্বাক্ষর না হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। গত ১৩ অক্টোবর আমরা জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছি। এমপিওভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হলে আমরা ক্লাসে ফিরবো।’

রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে যমুনা অভিমুখে লং মার্চের ডাক দেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা। জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে লং মার্চ শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে রাস্তায়ই বসে পড়েন শত শত শিক্ষক। ফলে পল্টন থেকে কদম ফোয়ারা অভিমুখী সড়কটি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারী শিক্ষকরা রাস্তায়ই জোহরের নামাজ আদায় করেন।

রবিবারে (২ নভেম্বর) দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এই কর্মসূচিতে আসা শিক্ষকদের হাতে বিভিন্ন রকমের প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন দেখা যায়। ‘এমন কোনও দেশ নাই, চাকরি আছে বেতন নাই’ ‘ইবতেদায়ি শিক্ষক, হয়েছে কেন ভিক্ষুক’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে শিক্ষকরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন। ‘অবহেলার ৪০ বছর, মানুষ বাঁচে কত বছর’, ‘বাড়ি না রাস্তা- রাস্তা, রাস্তা’, ‘বৈষম্য নিপাত যাক, জাতীয়করণ মুক্তি পাক’, ‘এক দফা এক দাবি, জাতীয়করণ করতে হবে’- ইত্যাদি লেখা স্লোগান দিতে থাকেন।

এই পরিস্থিতির মধ্যে বিকালে শিক্ষক নেতাদের ডেকে নেওয়া হয় সচিবালয়ে। মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষকরা। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান কাজী মোখলেছুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা নিশ্চিত হয়ে আন্দোলন থেকে ফিরে ক্লাসে যোগ দেবেন। যতক্ষণ নিশ্চিত না হই ততদিন আন্দোলন চলবে।’

প্রসঙ্গত, সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণে সরকারের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে গত ১৩ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে মোট ১৮ হাজার ১৮৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার নিবন্ধন দেয় সরকার। একই সময়ে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়কেও নিবন্ধন দেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতোই ১৯৯৪ সালে ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে ৫০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া শুরু হয়। একই সময় সমান অনুদান পাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সরকারি করা হয়েছে। আর সেই ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে এখনও সামান্য অনুদানই দেওয়া হচ্ছে।

বিগত সরকার ২৬ হাজার ১৫৯টি নিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ করে। আর প্রাথমিক সমমানের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বেতন কাঠামোর আওতায় আসেনি। তাদের দেওয়া হয় সামান্য অনুদান।

এর আগে ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জনবল কাঠামো ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত নীতিমালা করেছিল কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। যদিও সেই নীতিমালা অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাননি শিক্ষকরা। তবে নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর শিক্ষকরা সরকারি বেতনের অংশ পাবেন।

বর্তমানে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার প্রধানরা মাসিক সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও সহকারী শিক্ষকরা মাসিক ৩ হাজার ৩০০ টাকা অনুদান পান। শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে গত ২৮ জানুয়ারি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত এবং পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ করার ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ৫ মার্চ সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের শেষ কর্মদিবসে অ্যাডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বরধারী (ইআইআইএন) ১ হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন দেন।

১) অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি সরকারের ঘোষিত পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। ২) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পাঠানো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক হাজার ৮৯টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণের লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই করা ফাইলগুলো দ্রুত অনুমোদন করে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে। ৩) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনুদানবিহীন সব স্বতন্ত্র ইbতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিও আবেদনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ব্যবস্থাকরণ করতে হবে। ৪) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসায় প্রাক-প্রাথমিক পদ সৃষ্টি করতে হবে। ৫) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিদফতরের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জন্য আলাদা অধিদফতর স্থাপন করতে হবে।