ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধবিরতি চুক্তি: ৪৭ বার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল, নিহত ৩৮ ফিলিস্তিনি

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই মাসের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ৪৭ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪৩ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি সরকার জানিয়েছে, গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী ‘লাইফলাইন’ খ্যাত রাফা সীমান্ত ক্রসিং ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ বন্ধ থাকবে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে জিম্মিদের মৃতদেহ উদ্ধারে যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।

তবে হামাস ইতোমধ্যে আরও দুই জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে এবং অভিযোগ করেছে যে, নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি চুক্তি ‘ব্যাহত করার জন্য তুচ্ছ অজুহাত’ ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বহির্বিশ্বের সঙ্গে গাজার যোগাযোগ এবং ত্রাণ পৌঁছানোর প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার রাফা ক্রসিং এখনও বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে হামাস জানায়, রাফা ক্রসিং বন্ধ থাকায় মৃতদেহ উদ্ধার ও স্থানান্তরে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব হবে। গাজার মধ্যে এখনও বন্দি ও মৃতদেহ ফেরতের বিষয়টি যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়নে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েল রাফা ক্রসিং পুনরায় খোলার সঙ্গে সব মৃতদেহ পুনরুদ্ধারের বিষয়টি যুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া সংঘাতে গাজায় কমপক্ষে ৬৮ হাজার ১১৬ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ২০০ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

যুদ্ধবিরতি চুক্তি: ৪৭ বার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল, নিহত ৩৮ ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই মাসের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ৪৭ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪৩ জন আহত হয়েছেন বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি সরকার জানিয়েছে, গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী ‘লাইফলাইন’ খ্যাত রাফা সীমান্ত ক্রসিং ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ বন্ধ থাকবে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে জিম্মিদের মৃতদেহ উদ্ধারে যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।

তবে হামাস ইতোমধ্যে আরও দুই জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে এবং অভিযোগ করেছে যে, নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি চুক্তি ‘ব্যাহত করার জন্য তুচ্ছ অজুহাত’ ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বহির্বিশ্বের সঙ্গে গাজার যোগাযোগ এবং ত্রাণ পৌঁছানোর প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার রাফা ক্রসিং এখনও বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে হামাস জানায়, রাফা ক্রসিং বন্ধ থাকায় মৃতদেহ উদ্ধার ও স্থানান্তরে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব হবে। গাজার মধ্যে এখনও বন্দি ও মৃতদেহ ফেরতের বিষয়টি যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়নে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েল রাফা ক্রসিং পুনরায় খোলার সঙ্গে সব মৃতদেহ পুনরুদ্ধারের বিষয়টি যুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া সংঘাতে গাজায় কমপক্ষে ৬৮ হাজার ১১৬ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজার ২০০ জন আহত হয়েছেন। অপরদিকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়।