বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে প্রতিদিনই নতুন নতুন ঘটনাপ্রবাহে উত্তেজনা ও শান্তি আলোচনার এক জটিল সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত, ভূ-রাজনৈতিক চাল, কূটনৈতিক তৎপরতা, সংঘাত এবং প্রতিরক্ষা খাতের প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে এক অবিরাম পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত রয়েছে, যা বর্তমান বিশ্বব্যবস্থাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে এবং ভবিষ্যতের পথনির্দেশ করছে।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কাতারে মার্কিন ও ইরানি আলোচনাকারীরা একটি যুদ্ধবিরতির কাঠামো নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে, তবে এটি কার্যকর হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ায় পাকিস্তান এবং মানবিক অবস্থানের জন্য মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ‘কূটনীতির প্রতি ইরানের প্রতিশ্রুতি’র বিষয়টি জোর দিয়ে তুলে ধরেছেন।
অন্যদিকে, নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং এর অবসান হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন। এছাড়াও, গাজার ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। অন্যদিকে, চীন মরুভূমিতে পরমাণু ঘাঁটির কাছে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি চূড়ান্ত নয় এবং খসড়া পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে তেহরান।
রিপোর্টারের নাম 























