মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লায় নারীকে হত্যার পর লাশ ১০ টুকরো করে ফেলে রাখা, স্ত্রীসহ পাঁচজন জড়িতের অভিযোগ

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীকে জবাই করে হত্যার পর তার লাশ ১০ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ লাইলী বেগম (৩৮) নামে একজনকে আটক করেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছে। এখনো লাশের মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

শনিবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদা ইয়াসমিন পৌর এলাকার ফতেহাবাদ গ্রামের মফিজ ভূঁইয়ার স্ত্রী। আটক লাইলী বেগম পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় মফিজ ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন লাইলী বেগম ও তার স্বামী। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাতে লাইলী বেগম, তার স্বামীসহ আরও তিনজন মিলে বাড়ির মালিকের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে জবাই করে হত্যা করেন। এরপর তারা লাশটি ১০ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনের একটি গলিতে ফেলে রাখে।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে লাইলী বেগম পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা লাশের ৯টি টুকরো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা এখনো পাওয়া যায়নি।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী বেগম হত্যাকাণ্ডে তার স্বামী আবুল কালাম এবং রবিউল, সোহেল ও ইমন নামে আরও তিনজন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এক নারীকে হত্যার পর লাশ টুকরো করে ফেলার ঘটনায় স্থানীয়রা এক নারীকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে লাইলী বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাথা উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান পরিবর্তন না আনলে চাপ অব্যাহত থাকবে: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স

কুমিল্লায় নারীকে হত্যার পর লাশ ১০ টুকরো করে ফেলে রাখা, স্ত্রীসহ পাঁচজন জড়িতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীকে জবাই করে হত্যার পর তার লাশ ১০ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ লাইলী বেগম (৩৮) নামে একজনকে আটক করেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছে। এখনো লাশের মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

শনিবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদা ইয়াসমিন পৌর এলাকার ফতেহাবাদ গ্রামের মফিজ ভূঁইয়ার স্ত্রী। আটক লাইলী বেগম পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় মফিজ ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন লাইলী বেগম ও তার স্বামী। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাতে লাইলী বেগম, তার স্বামীসহ আরও তিনজন মিলে বাড়ির মালিকের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে জবাই করে হত্যা করেন। এরপর তারা লাশটি ১০ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনের একটি গলিতে ফেলে রাখে।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে লাইলী বেগম পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা লাশের ৯টি টুকরো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা এখনো পাওয়া যায়নি।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী বেগম হত্যাকাণ্ডে তার স্বামী আবুল কালাম এবং রবিউল, সোহেল ও ইমন নামে আরও তিনজন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এক নারীকে হত্যার পর লাশ টুকরো করে ফেলার ঘটনায় স্থানীয়রা এক নারীকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে লাইলী বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাথা উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।