কুমিল্লার দেবিদ্বারে এক নারীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর তার দেহ ১০ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেলে দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের চিত্র সামনে আসে। নিহত ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) ওই এলাকার ফতেহাবাদ গ্রামের মফিজ ভূঁইয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মফিজ ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন অভিযুক্ত লাইলী বেগম ও তার স্বামী আবুল কালাম। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় লাইলী ও তার সহযোগীরা মিলে বাড়ির মালিকের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর নিহতের দেহ ১০টি খণ্ডে বিভক্ত করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনের একটি গলিতে ফেলে রাখা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে পালানোর চেষ্টাকালে লাইলী বেগমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয় জনতা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশের ৯টি খণ্ড উদ্ধার করতে পারলেও নিহতের বিচ্ছিন্ন মাথাটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক লাইলী বেগম জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডে তার স্বামী আবুল কালামসহ রবিউল, সোহেল ও ইমন নামের আরও তিনজন সরাসরি জড়িত ছিলেন। পুলিশ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর দেহের অধিকাংশ অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। আটক নারীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের মাথা উদ্ধার এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 




















