মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

পর্যটন খাতের জিডিপি অবদান ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য সরকারের

দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশে নিতে চায় বর্তমান সরকার। শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ট্রাভেল ট্যুরিজম উন্নয়ন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এই লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি, যা বর্তমান নির্বাচিত সরকার গুরুত্বের সঙ্গে সংস্কার করছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পর্যটন, এভিয়েশন ও হসপিটালিটি খাতকে সমন্বিত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ চলছে। পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক কর্মপরিকল্পনা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অংশীদারিত্ব উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: ১৫ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

পর্যটন খাতের জিডিপি অবদান ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য সরকারের

আপডেট সময় : ০৬:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশে নিতে চায় বর্তমান সরকার। শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ট্রাভেল ট্যুরিজম উন্নয়ন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এই লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি, যা বর্তমান নির্বাচিত সরকার গুরুত্বের সঙ্গে সংস্কার করছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পর্যটন, এভিয়েশন ও হসপিটালিটি খাতকে সমন্বিত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ চলছে। পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক কর্মপরিকল্পনা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অংশীদারিত্ব উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।