কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে নির্বাচিতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর ব্যাপক বিতর্ক ও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তালিকায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য এবং বিগত সরকারের সময়কার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একজন নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। স্থানীয়রা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই (অতীতের তারিখ) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ফ্যামিলি কার্ড শুমারি তথ্য সংগ্রহকারী নির্বাচন কমিটির সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস দাসের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদনকারীদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই প্রক্রিয়ায় সুপারভাইজার পদে ৮০ জন এবং তথ্য সংগ্রহকারী পদে ৩১৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস দাস জানান, যদি চূড়ান্ত তালিকায় কোনো ত্রুটি বা বিচ্যুতি পাওয়া যায়, তবে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তালিকাটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। বর্তমান বিএনপি সরকার (২০২৬ সাল) ক্ষমতায় আসায় বিগত সরকারের সময়ে ঘটে যাওয়া এমন অনিয়মগুলো নতুন করে আলোচনায় আসছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছে, যা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। তারা অবিলম্বে তালিকাটি পুনর্বিবেচনা এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























