ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীতে পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ৪ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

নীলফামারীর জলঢাকায় বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জলঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এর ফলে জলঢাকা-ডিমলা-রংপুর আঞ্চলিক সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হন।

আন্দোলনরত মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, ডিমলা রুটে চলাচলকারী প্রতিটি বাস থেকে প্রতিদিন নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রায় ৯০০ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। এই অনিয়মের অবসান ঘটাতেই তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। অবরোধের কারণে দূরপাল্লার যানবাহনসহ বিভিন্ন রুটের গাড়ি আটকা পড়ে স্থবির হয়ে পড়ে যাতায়াত ব্যবস্থা।

খবর পেয়ে জলঢাকা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় যে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের টোল বা সার্ভিস চার্জ আদায় করা যাবে না। পুলিশের এই আশ্বাসের পর শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের বিদায়ে মেহজাবীনের উল্লাস ও তটিনীর কান্না

নীলফামারীতে পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ৪ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ১২:৫২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকায় বাস মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জলঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এর ফলে জলঢাকা-ডিমলা-রংপুর আঞ্চলিক সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হন।

আন্দোলনরত মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, ডিমলা রুটে চলাচলকারী প্রতিটি বাস থেকে প্রতিদিন নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রায় ৯০০ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। এই অনিয়মের অবসান ঘটাতেই তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। অবরোধের কারণে দূরপাল্লার যানবাহনসহ বিভিন্ন রুটের গাড়ি আটকা পড়ে স্থবির হয়ে পড়ে যাতায়াত ব্যবস্থা।

খবর পেয়ে জলঢাকা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় যে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের টোল বা সার্ভিস চার্জ আদায় করা যাবে না। পুলিশের এই আশ্বাসের পর শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।