ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

রপ্তানি বাণিজ্যে গতি ফেরাতে ৪৩ পণ্যে নগদ সহায়তা বহাল রাখল সরকার

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্য উৎসাহিত করতে ৪৩টি পণ্যের বিপরীতে নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানিয়েছে, আগের অর্থবছরের মতো এবারও এসব পণ্যের ক্ষেত্রে নগদ সহায়তার হার অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন কোনো খাত এই তালিকায় যুক্ত না হলেও বিদ্যমান সুবিধাগুলো আগের নিয়মেই কার্যকর থাকবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জাহাজীকরণ করা পণ্যগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে। পণ্যভেদে রপ্তানিকারকরা সর্বনিম্ন ০.৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাবেন। তবে এই সুবিধা পেতে রপ্তানি আয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশে প্রত্যাবাসনসহ বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োজনীয় শর্তাদি পূরণ করতে হবে।

খাতভিত্তিক বিভাজনে দেখা যায়, বস্ত্র খাতে বিকল্প নগদ সহায়তা হিসেবে ১.৫০ শতাংশ এবং ইউরো অঞ্চলে রপ্তানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ০.৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া কৃষিপণ্য, আলু, হালকা প্রকৌশল পণ্য ও হালাল মাংস রপ্তানিতে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ প্রণোদনা মিলবে। অন্যান্য খাতের মধ্যে চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক, কাগজ, সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও বিভিন্ন হারে এই সহায়তা বজায় রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে ব্যবসায়ীকে লাঞ্ছিত করে চেকে সই নেওয়ার অভিযোগ: গ্রেপ্তার ২

রপ্তানি বাণিজ্যে গতি ফেরাতে ৪৩ পণ্যে নগদ সহায়তা বহাল রাখল সরকার

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্য উৎসাহিত করতে ৪৩টি পণ্যের বিপরীতে নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানিয়েছে, আগের অর্থবছরের মতো এবারও এসব পণ্যের ক্ষেত্রে নগদ সহায়তার হার অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন কোনো খাত এই তালিকায় যুক্ত না হলেও বিদ্যমান সুবিধাগুলো আগের নিয়মেই কার্যকর থাকবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জাহাজীকরণ করা পণ্যগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে। পণ্যভেদে রপ্তানিকারকরা সর্বনিম্ন ০.৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাবেন। তবে এই সুবিধা পেতে রপ্তানি আয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশে প্রত্যাবাসনসহ বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োজনীয় শর্তাদি পূরণ করতে হবে।

খাতভিত্তিক বিভাজনে দেখা যায়, বস্ত্র খাতে বিকল্প নগদ সহায়তা হিসেবে ১.৫০ শতাংশ এবং ইউরো অঞ্চলে রপ্তানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ০.৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া কৃষিপণ্য, আলু, হালকা প্রকৌশল পণ্য ও হালাল মাংস রপ্তানিতে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ প্রণোদনা মিলবে। অন্যান্য খাতের মধ্যে চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক, কাগজ, সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও বিভিন্ন হারে এই সহায়তা বজায় রাখা হয়েছে।