ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

বরেণ্য বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণে এবি পার্টির গভীর শোক

বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। এক যৌথ শোকবার্তায় দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের এক সাহসী, স্বাধীনচেতা ও আপসহীন কণ্ঠস্বর। তিনি কেবল একাডেমিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং জাতীয় চেতনা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীন চিন্তার বিকাশে আমৃত্যু অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রাজ্ঞ অবস্থান দেশ ও জাতির জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এবি পার্টির নেতারা আরও উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের খ্যাতিমান এই অধ্যাপক এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োগ ও জাতীয় সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর অবদান জাতি দীর্ঘকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর প্রয়াণে দেশের জ্ঞানচর্চা ও মুক্তবুদ্ধি আন্দোলনের অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ মাস পর চালু হলো ইরান ও কাতারের সরাসরি নৌ-বাণিজ্য পথ

বরেণ্য বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণে এবি পার্টির গভীর শোক

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। এক যৌথ শোকবার্তায় দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের এক সাহসী, স্বাধীনচেতা ও আপসহীন কণ্ঠস্বর। তিনি কেবল একাডেমিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং জাতীয় চেতনা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীন চিন্তার বিকাশে আমৃত্যু অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রাজ্ঞ অবস্থান দেশ ও জাতির জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এবি পার্টির নেতারা আরও উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের খ্যাতিমান এই অধ্যাপক এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োগ ও জাতীয় সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর অবদান জাতি দীর্ঘকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর প্রয়াণে দেশের জ্ঞানচর্চা ও মুক্তবুদ্ধি আন্দোলনের অপূরণীয় ক্ষতি হলো।