ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ব্রহ্মপুত্র রক্ষা বাঁধে ফের ধস: চিলমারীতে ভাঙন আতঙ্কে নদীতীরবর্তী মানুষ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদ রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় আবারও ধস ও ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৮ সাল থেকে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ডান তীর রক্ষা প্রকল্পে একাধিকবার ধসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী কোনো সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই তাদের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়। কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা খতিব উদ্দিন জানান, বাঁধ নির্মাণের পর নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেলেও বারবার ধসের কারণে তারা এখন শঙ্কিত। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনো পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম নামের দুই স্থানীয় বাসিন্দা জানান, বর্ষা এলেই তাদের মনে ভাঙনের ভয় কাজ করে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। তবে, স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও তিনি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কার্বন ক্রেডিট অর্জনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ব্রহ্মপুত্র রক্ষা বাঁধে ফের ধস: চিলমারীতে ভাঙন আতঙ্কে নদীতীরবর্তী মানুষ

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদ রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় আবারও ধস ও ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৮ সাল থেকে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ডান তীর রক্ষা প্রকল্পে একাধিকবার ধসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী কোনো সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই তাদের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়। কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা খতিব উদ্দিন জানান, বাঁধ নির্মাণের পর নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেলেও বারবার ধসের কারণে তারা এখন শঙ্কিত। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনো পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম নামের দুই স্থানীয় বাসিন্দা জানান, বর্ষা এলেই তাদের মনে ভাঙনের ভয় কাজ করে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। তবে, স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও তিনি জানান।