ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

মাদক কেলেঙ্কারিতে দাউদকান্দি থানার আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে জব্দ করা মাদক সরিয়ে বিক্রির অভিযোগে আরও দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজড বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন এসআই মো. ইমাম উদ্দিন এবং এএসআই হাফিজুর রহমান। বুধবার দিবাগত রাতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে একই মাদক কেলেঙ্কারির ঘটনায় দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ বারীকেও প্রত্যাহার করা হয়েছিল। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শনিবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন এসআই ইমাম ও এএসআই হাফিজুর। কিন্তু তারা সেই মাদক সরকারিভাবে জমা না দিয়ে মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারকৃত গাঁজা বিক্রির পাশাপাশি মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেন। যদিও অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দাউদকান্দি থানার বর্তমান দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে তাদের থানা থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্টতায় পুলিশের এমন কড়া পদক্ষেপে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মেসি ছাড়া কেইনের সমকক্ষ কেউ নেই: গর্ডন

মাদক কেলেঙ্কারিতে দাউদকান্দি থানার আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে জব্দ করা মাদক সরিয়ে বিক্রির অভিযোগে আরও দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজড বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন এসআই মো. ইমাম উদ্দিন এবং এএসআই হাফিজুর রহমান। বুধবার দিবাগত রাতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে একই মাদক কেলেঙ্কারির ঘটনায় দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ বারীকেও প্রত্যাহার করা হয়েছিল। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শনিবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন এসআই ইমাম ও এএসআই হাফিজুর। কিন্তু তারা সেই মাদক সরকারিভাবে জমা না দিয়ে মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা উদ্ধারকৃত গাঁজা বিক্রির পাশাপাশি মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেন। যদিও অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দাউদকান্দি থানার বর্তমান দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে তাদের থানা থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্টতায় পুলিশের এমন কড়া পদক্ষেপে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।