লালমনিরহাটে ধরলা নদীর আকস্মিক ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ভাঙনস্থল সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার রায় এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, লালমনিরহাটে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ধরলা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে নদীগর্ভে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ফেলা জিও ব্যাগও নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় প্রতিরক্ষা কর্মসূচি বিফল হচ্ছে।
পাউবো ভাঙন ঝুঁকিতে থাকা তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে, ভাঙন চলমান থাকলে রাত্রিকালীন সময়ে নদী তীরবর্তী স্থানে অবস্থান না করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখন পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন শুরু হয়েছে। মোগলহাট বুমকা এলাকার কৃষক তাজুল ইসলাম (৬৫) আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা চাই।” একই গ্রামের দবিয়ার রহমান বলেন, “পরিশ্রম করে আয় করা অর্থে সারা বছর যা সঞ্চয় করি, তা প্রতিবছর বন্যা আর ভাঙনে নষ্ট হচ্ছে। আমরা স্থায়ীভাবে বসতি গড়তে চাই।”
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার রায় জানান, জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু কিছু স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আপাতত জিও-ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























