ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ: বগুড়ায় ১০ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এক কলেজ কর্মচারীর প্রতারণার শিকার হয়ে ১০ জন শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ওই শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষায় বসতে পারেননি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিলম্বে ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। মানবিক বিভাগের এই ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিনি জনপ্রতি ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন। গত ২৪ জুন অন্য শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়া হলেও এই ১০ জনকে পরে দেওয়ার কথা বলে আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে শিক্ষার্থীরা কলেজে এসে প্রবেশপত্র না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন গত বুধবার থেকে পলাতক রয়েছেন এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এই প্রতারণার ফলে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করে আলোচনায় অভিনেত্রী শাওন

ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ: বগুড়ায় ১০ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৩:০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এক কলেজ কর্মচারীর প্রতারণার শিকার হয়ে ১০ জন শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ওই শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষায় বসতে পারেননি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিলম্বে ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। মানবিক বিভাগের এই ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিনি জনপ্রতি ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন। গত ২৪ জুন অন্য শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়া হলেও এই ১০ জনকে পরে দেওয়ার কথা বলে আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে শিক্ষার্থীরা কলেজে এসে প্রবেশপত্র না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন গত বুধবার থেকে পলাতক রয়েছেন এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এই প্রতারণার ফলে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।