ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছাল ৯৬তম বারের মতো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। এ নিয়ে ৯৬তম বারের মতো এই মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে গেল। আগামী ৯ আগস্ট এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এদিন প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে জালিয়াতি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পরে ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। ধারণা করা হয়, দেশের অভ্যন্তরের একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ এই রিজার্ভের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

এই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ও ৩৭৯ ধারায় করা হয়েছিল। বর্তমানে সিআইডি এই মামলার তদন্ত কাজ পরিচালনা করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শহীদদের স্মরণে সরকারি উদাসীনতা দুঃখজনক: জামায়াত নেতা

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছাল ৯৬তম বারের মতো

আপডেট সময় : ০৪:১৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। এ নিয়ে ৯৬তম বারের মতো এই মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে গেল। আগামী ৯ আগস্ট এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এদিন প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে জালিয়াতি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পরে ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। ধারণা করা হয়, দেশের অভ্যন্তরের একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ এই রিজার্ভের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

এই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ও ৩৭৯ ধারায় করা হয়েছিল। বর্তমানে সিআইডি এই মামলার তদন্ত কাজ পরিচালনা করছে।